ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওরা বাজারে সোহাগ হাওলাদার পিতা সেকেন হাওলাদার গংইয়াবা ও ওয়েলকাম টন সিন্ডিকেট দের নিয়ে কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া বাজারে এক সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার শিকার হয়েছেন মোস্তফা হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি, যিনি বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে দেওরা বাজারের পশ্চিম গলিতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মোস্তফা হাওলাদারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা কথিত “ওয়েলকাম সিন্ডিকেট”-এর সদস্য, যাদের অনেকেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
কালামৃধা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর বেপারী জানান, “আমি অসুস্থ অবস্থায় বাজারের পশ্চিম গলিতে হঠাৎ গোলমালের শব্দ শুনে দেখি মোস্তফা হাওলাদার রক্তাক্ত অবস্থায় ছুটে আসছে। আমরা এই এলাকাকে মাদকমুক্ত দেখতে চাই, কোনো সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হতে চাই না।”

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে একজনকে আটক করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এদিকে কালামৃধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “আমার ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের কোনো ঠাঁই হবে না। যারা প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, তারা সমাজের শত্রু। এই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দেওরা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মাতুব্বর, সাবেক মেম্বার মেরাজ, হেলাল বেপারী, মুজাফফর মাস্টার ও আব্বাস বেপারীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ভাঙ্গা থানার এসআই করিম জানান, “একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং বাজারের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ।