গোপালগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রির অপরাধে অভিযুক্ত ৫ জনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রুহুল শরিফ।

তথ্যসূত্রে জানাগেছে অবৈধভাবে বালু কেঁটে বিক্রির অভিযোগে অভিযুক্তদেরকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা অর্থ জরিমানা করা হয়। পরে অভিযুক্তরা জরিমানার অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রুহুল আমিন শরিফ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী বর্নির বাওড় থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে শহরের মান্দারতলা এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। পরে অভিযান চালিয়ে মান্দারতলা এলাকা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন–২০১০ এবং সংশোধিত আইন–২০২৩ অনুযায়ী ৪ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে এবং এক জনকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য অপরাধীরা তথাকথিত মানবাধিকার সংগঠনের নামে এই অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে এবং জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের বিষয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য ছড়াচ্ছে।গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ভ্রাম্যমান আদালতেরো অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তা বিক্রির অভিযোগে ৫ জনকে আটক ও সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদানের এ ঘটনায় সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ সহ পরিবেশবাদী সচেতন মহল। তারা দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এ ধরনের কতিপয় অসাধুচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন।