ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধে জাগে অচেনা অনুভব, দোলনচাঁপার পাপড়িজুড়ে নামে স্মৃতির উৎসব। মেঘের বুকে দামিনীর আঁকা ক্ষণিক আলোকরেখা,
কবির মনে প্রেমের নৌকা ভাসায় নিঃশব্দ দেখা।
প্রকৃতি যেন লাজুক প্রিয়া, কবি তার ব্যাকুল প্রাণ,
একজন সুর, অন্যজন তার চিরন্তন প্রেম কলতান। বাতাস এসে কর্ণপথে দিয়ে যায় গোপন বার্তা, ফুলের গন্ধে মিশে থাকে ভালোবাসার ব্যাকুলতা।
শ্যামলা গগন আঁচল মেলে শুনে তাদের প্রেমগাথা, বৃষ্টিধারা ছন্দ হয়ে লেখে অনন্ত উপকথা। পাতার ফাঁকে জাগে নীরব অনুরাগের সুর, আকাশ জুড়ে প্রেমের মন্ত্র পাঠ করে মেঘের নূর।
পথিক তখন শব্দ কুড়ায়, আম কুড়ানোর মতো, আমগুলো সব সাজিয়ে রাখে হয় কবিতা যত। কদমশাখার দোলায় দোলে অপ্রকাশিত আবেগ, শ্রাবণ যেন দু’জনারই হৃদয়জোড়া প্রেমের বেগ। নদী যেমন সাগর খোঁজে আপন স্রোতের টানে, মেঘমন্দ্র আর দামিনী খুঁজে তাঁর প্রতিটি গানে। প্রকৃতি যেমন বৃষ্টি হয়ে ছুঁয়ে যায় ধরণীর মন, তেমনি পথিক কলম জুড়ে জাগায় প্রেমের স্পন্দন।
ফুল ফোটে, মেঘ ভাসে, বৃষ্টি নামে অবিরাম, কবি আর প্রকৃতির প্রেমে মুখরিত হয় ধরণীধাম।

সঘন মেঘের নীল আঁচলে ঢেকে গেছে নভোমণ্ডল, শ্রাবণ যেন প্রেমের ভাষায় লিখে চলে অনন্ত ছল। কদমফুলের হলুদ হাসি, বৃষ্টির মৃদু আলাপন, অপূর্ব সতেজতায় জাগে কবির প্রথম স্পন্দন।