মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটে অবস্থিত আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি-র শাখা থেকে যৌথ হিসাবের ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা উত্তোলন নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের আসল রহস্য ও আইনি বাস্তবতা স্পষ্ট করেছেন বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ শাহরিয়ার বুলবুল। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং নথি উপস্থাপন করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ শাহরিয়ার বুলবুল জানান, এই লেনদেনের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৪ সালে, অথচ তিনি এই শাখায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০২৫ সালে। ফলে এই ঘটনার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রশ্নই আসে না। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ২০২৪ সালে যে লেনদেনটি সম্পন্ন হয়েছিল, তা সম্পূর্ণভাবে আইএফআইসি ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিবিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যাংকের হিসাব খোলার মূল নথি প্রদর্শন করেন ব্যবস্থাপক। নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পাষাণ ফকির ও সামিরা আক্তারের নামের যৌথ হিসাবটি ‘আইদার অর সারভাইভার’ (Either or Survivor) শর্তে খোলা হয়েছিল। ব্যাংকিং আইন ও নিয়মানুযায়ী, এই ধরনের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত যেকোনো একজন অংশীদার একক স্বাক্ষরে সম্পূর্ণ অর্থ জমা বা উত্তোলনের শতভাগ বৈধ এখতিয়ার রাখেন।
ফলে নিয়মতান্ত্রিকভাবেই সামিরা আক্তার ওই অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং এতে কোনো ধরনের জালিয়াতি বা ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অনিয়মের সুযোগ ছিল না বলে ব্যাংকিং একাউন্ট ওপেনিং ফর্ম নথিপত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।